মাসিক যখন কুসংস্কার
বাড়িতে সকাল এ উঠে চা মুখে দিয়েছি ঠিক এমন সময় পাশের বাড়ির এক মাসিমা আমাদের বাড়িতে এল । মা রান্না ঘর থেকে বলছে বাজার করতে যেতে হবে ।
চা খাওয়া শেষ করে বাজারের ব্যাগ টা হাতে নিয়ে বের হব সেই সময় বললাম কার কি লাগবে একটু বল আমি বাজারে যাচ্ছি । বাবা বলল ওষুধ শেষ হয়েছে ওটা একটু নিয়ে আসতে ।মা বাজারের লিস্ট টা হাতে দিল ঠিক এমন সময় ওপর থেকে বনু চিৎকার করে বলছে -আমার স্যানিটারি নেপকিন টা নিয়ে আসিস ।
এই কথা শুনে বললাম ঠিক আছে ।আমি যেই বললাম ঠিক আছে এমনি পাশের বাড়ির মাসিমা সঙ্গে সঙ্গে মুখে কাপড় দিল আর বলে উঠল -হেই মা এত বড় মেয়ে কোন জ্ঞান নেই দাদা কে বলছে প্যাড আনতে ।আমি কিছু বলতে যাবো এমনি বনু বলে উঠল দাদা তুই যা এসে কথা বলবি ।
চা খাওয়া শেষ করে বাজারের ব্যাগ টা হাতে নিয়ে বের হব সেই সময় বললাম কার কি লাগবে একটু বল আমি বাজারে যাচ্ছি । বাবা বলল ওষুধ শেষ হয়েছে ওটা একটু নিয়ে আসতে ।মা বাজারের লিস্ট টা হাতে দিল ঠিক এমন সময় ওপর থেকে বনু চিৎকার করে বলছে -আমার স্যানিটারি নেপকিন টা নিয়ে আসিস ।
এই কথা শুনে বললাম ঠিক আছে ।আমি যেই বললাম ঠিক আছে এমনি পাশের বাড়ির মাসিমা সঙ্গে সঙ্গে মুখে কাপড় দিল আর বলে উঠল -হেই মা এত বড় মেয়ে কোন জ্ঞান নেই দাদা কে বলছে প্যাড আনতে ।আমি কিছু বলতে যাবো এমনি বনু বলে উঠল দাদা তুই যা এসে কথা বলবি ।
আমি বাজারে গিয়ে লিস্ট মত সব কিছু কিনলাম তারপর যখন বনু র প্যাড টা দোকানে নিতে গেছি এমনি দেখছি একটা মেয়ে সে ও প্যাড নেবে কিন্তু কিছু বলতে পারছে না কারণ দোকানে অনেক ভিড় ছিল ।আমি বুঝলাম যখন ওর হাতে একটা চিরকুট এ লেখা ছিল 2টা স্যানিটারি নেপকিন ।
মেয়েটাকে জিগেস করে ওর চিরকুট আর আমার বনূর প্যাড এক সাথে কিনে বাড়ি ফিরলাম ।
বাড়ি ফিরে দেখি তখন ও মাসিমা বসে আছে টিভি দেখছে । চিৎ কার করে বললাম বনু নিয়ে যা প্যাড টা ।এই কথা শুনে তখন ও আবার বলে উঠল মাসিমা -তোদের বাছা কোন জ্ঞান নেই ।
এই কথা শোনার পর বনু ওপর থেকে নিচে নেমে এল এসে আমাকে বলল তুই কিছু বলিস না তুই ঘরের ভিতরে যা ।
তারপর বনু যে কথা টা বলল - মাসিমা আপনার ছেলে হয়েছে বলল হা ।
তখন কেউ দেখতে এসেছিল অপনাকে
হা কেন আসবে না এই ত আনন্দের খবর
আচ্ছা ছেলে হল সেটা আপনার কাছে আনন্দের খবর আর যেটা আপনার শরীরে ছেলে এনে দিল সেটা আপনার কাছে লজ্জার বলেন মাসিমা ।
বা হ মাসিমা বা হ ।
এই কথা শোনার পর সত্যি সেদিন ই ভেবেছিলাম যে আমি তোর কাছে বড় ঠিক ই কিন্তু তুই আমার থেকে অনেক বড় ।
মেয়েটাকে জিগেস করে ওর চিরকুট আর আমার বনূর প্যাড এক সাথে কিনে বাড়ি ফিরলাম ।
বাড়ি ফিরে দেখি তখন ও মাসিমা বসে আছে টিভি দেখছে । চিৎ কার করে বললাম বনু নিয়ে যা প্যাড টা ।এই কথা শুনে তখন ও আবার বলে উঠল মাসিমা -তোদের বাছা কোন জ্ঞান নেই ।
এই কথা শোনার পর বনু ওপর থেকে নিচে নেমে এল এসে আমাকে বলল তুই কিছু বলিস না তুই ঘরের ভিতরে যা ।
তারপর বনু যে কথা টা বলল - মাসিমা আপনার ছেলে হয়েছে বলল হা ।
তখন কেউ দেখতে এসেছিল অপনাকে
হা কেন আসবে না এই ত আনন্দের খবর
আচ্ছা ছেলে হল সেটা আপনার কাছে আনন্দের খবর আর যেটা আপনার শরীরে ছেলে এনে দিল সেটা আপনার কাছে লজ্জার বলেন মাসিমা ।
বা হ মাসিমা বা হ ।
এই কথা শোনার পর সত্যি সেদিন ই ভেবেছিলাম যে আমি তোর কাছে বড় ঠিক ই কিন্তু তুই আমার থেকে অনেক বড় ।
মেয়েদের জীবনে কি প্রভাব পড়ে আর কিভাবে সমস্যা র সম্মুখীন হতে হয় তার কবিতা র মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন অনুমিতা মন্ডল ।
প্রতিটি মেয়ের জীবনে মাসিক চিরাচরিত সত্য,
তাই নিয়ে চর্চা করতে কিছু সমালোচক হয়েছে মত্ত।
প্রথম যেদিন হয় মাসিক মা বললো হয়েছিস বড়ো,
আমি বললাম রক্তপাতে কি বড়ো হয়, এসব কথা ছাড়ো।
মা বলে নাকি এটি মেয়েদের আসল সম্বল,
কিন্তু অনেক কটুক্তি অনেক বাজে উক্তি করে যে একদল।
মাসিক হলে সবাই বলে ঠাকুর ঘরে যেতে মানা,
আচ্ছা আমি বলি মা দূর্গা, মা কালি কি মেয়ে না?
মন্দিরে তে উঠতে গিয়ে থমকে যায় পা,
ও আজ তো দুইদিন আমার ওঠা যাবে না।
এক ফোঁটা রক্তের দাগ যদি লেগে থাকে জামায়,
সমালোচকদের হাসি তখন কে আর থামায়।
নিন্দুকেরা নিন্দা করে আর সেই মা কেই করে পূজো,
নারীদেহ কে বলো অপবিত্র আবার নারী দিবসে ভালো মানুষ সাজো।
কামাক্ষা মায়ের মন্দিরে যাও মায়ের যোনি পূজো করতে,
ভক্তদের মধ্যে আছে কিছু পুরুষ, যদি কাপড়ে দাগ লাগে ভুলে না সিটি মারতে।
মাসের চারদিন যে বড়ো কষ্ট পাঁজর ভাঙ্গার ন্যায় ব্যাথা,
বুঝিস না তোরা নিন্দুকেরা বলিস কুৎসিত কথা।
মাসের চারদিন না এলে যে মানুষ জাতি ধ্বংস হবে,
ওরে নিন্দুক ওরে অবুঝের দল কলি কাল তো শেষের মুখে তোরা বুঝবি কবে?
মা বোন দিদি দের সম্মান রক্ষা করার যে লড়াই এই ভাবে ই ফুটে উঠুক ........শত ফুল বিকশিত হক ।ভাঙুক সমাজের বেড়া জাল ।




No comments:
Post a Comment