আজ তুমি নেই পর্ব-৫
ঠিক এমন সময় দুপুর ১২টা ৪৭ একটা মেসেজ এল তার ফেসবুকে -----------
ঋষি খুলে দেখে মেসেজ টা এসে ছিল ঋতিকা ভট্টাচার্য ।
আর যার চিন্তা ঋষি করছে সে ত ঋতিকা মন্ডল কোন ছবি ও নেই ----- ---------------------------
রেল লাইন এ টিকিট কাটতে গিয়ে নিজের মনে র কোনে জমে থাকা ভালোবাসার মানুষ ঋত্বিকার সঙ্গে দেখা।
সে এখন বিবাহিত।চোখে তার ছিল অনেক জিজ্ঞাসা ,
মনের কোণে জমে থাকা অভিমানী র ছিল অনেক প্রশ্ন।
হাজারো প্রশ্ন। উত্তর নেই। চোখে চোখে হয়েছিল সেদিন হাজার কথা। মুখেছিল শুধু সৌজন্য বোধ।
তার পর আজকে এই হঠাৎ এই মেসেজ।।।।
এটা ভাবতে ভাবতে মেসেজ টা খুলল ---দেখল মেসেজে লেখা ---
""মেয়েটা দেখতে খুব মিষ্টি রে
কি নাম । তোর সাথে খুব মানিয়েছে রে ।
আমি ঋতিকা রে ।
আমার নামটা পরিবর্তন করতে হয়েছে স্বামীর পরিচয় সূত্রে ""।
চিনতে পেরেছিস । ভুলে গেছিস বল ঋষি । আমি তোর ঋতু । কেমন আছিস ..........
ঋষি---বেঁচে আছি মরিনি এখন ও । তুই কেমন আছিস ??
:::-- অনেক দিন পর দেখা হল স্টেশনে তোর চোখের সামনে চোখ রেখে কিছু বলার মত ভাষা ছিল না রে ।
::;-হা রে -৪বছর ৬মাস পর দেখা হল ।
:::- তুই এত সঠিক ভাবে মনে রেখেছিস কিভাবে
::;;;--চাইলেও ত সব ভোলা যায় না রে ঋতু ।
:::::::--বাদ দে তোর স্ত্রী কেমন আছে দেখতে কিন্তু খুব সুন্দর ।
::::--বিয়ে ই হয় নি আবার স্ত্রী --কি যে বলিস
কেন ????
ঋষি:::::-- কাউকে ভালোবেসে ছিলাম
::::--অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে কি জীবন চলে ।
::::--না চলে না জীবন জীবনের গতিতে যায় আমি আমার গতিতে ।
:::--এখন ও তুই আগের মত ই আছিস ।
:::::---হা রে কারণ বদলাবার মানে খুঁজে পাই নি তাই ।
ঋতু :::--তুই সিগারেট খাস ?
::;;-- ওটাই ত এখন ---------সঙ্গী রে ।
:::::---তোর নাম্বারটা দে পরে কথা বলব ।ভালো থাকিস ।
:ঋষি :::---হা রে তুই ও ভালো থাকিস ।
বাই বলে অফলাইন হয়ে গেল ।
এই ভাবে দুজনের কথা শুরু হল সোশ্যাল মিডিয়ায় । নিজেদের ভালো লাগা খারাপ লাগা সব বিষয় তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করত
ঋষি যেন সেই আগের দিন গুলো ফিরে পাচ্ছে । এক অসম্ভব সুখ যে ন অনুভব করছে ঋষি ।
ফেসবুক থেকে কথাপোকথন শুরু হল whatsapp এ । খুব ভালো ই চলছিল ।
কিছু দিন কথা বলার পর আবার কথা বলা বন্ধ হয়ে গেল হঠাৎ ।
আবার 10দিন হয়ে গেল ঋষি মেসেজ করেই যাচ্ছে কোন উত্তর নেই । ফোন করলেও ফোন ধরে না কেউ ।
। ঋষি আর না থাকতো পেরে এটাই শেষ মেসেজে ভেবে নিজের আবেগের কথা লিখল --
সুখ ছেড়ে দুঃখ খোঁজে ক জন
দুঃখ শুধু আমাদের খোঁজে
এটা ই বা মেনে নিতে পারে কোন সুজন।
"""জানি না কেন তোকে এত মিস করি ।
তুই অফলাইন হলে মনে হয় আমার কি যেন নেই যেটা আমাকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে । যেন আমি আমার মাঝে আমি থাকি না ।
ঋষি খুলে দেখে মেসেজ টা এসে ছিল ঋতিকা ভট্টাচার্য ।
আর যার চিন্তা ঋষি করছে সে ত ঋতিকা মন্ডল কোন ছবি ও নেই ----- ---------------------------
রেল লাইন এ টিকিট কাটতে গিয়ে নিজের মনে র কোনে জমে থাকা ভালোবাসার মানুষ ঋত্বিকার সঙ্গে দেখা।
সে এখন বিবাহিত।চোখে তার ছিল অনেক জিজ্ঞাসা ,
মনের কোণে জমে থাকা অভিমানী র ছিল অনেক প্রশ্ন।
হাজারো প্রশ্ন। উত্তর নেই। চোখে চোখে হয়েছিল সেদিন হাজার কথা। মুখেছিল শুধু সৌজন্য বোধ।
তার পর আজকে এই হঠাৎ এই মেসেজ।।।।
এটা ভাবতে ভাবতে মেসেজ টা খুলল ---দেখল মেসেজে লেখা ---
""মেয়েটা দেখতে খুব মিষ্টি রে
কি নাম । তোর সাথে খুব মানিয়েছে রে ।
আমি ঋতিকা রে ।
আমার নামটা পরিবর্তন করতে হয়েছে স্বামীর পরিচয় সূত্রে ""।
চিনতে পেরেছিস । ভুলে গেছিস বল ঋষি । আমি তোর ঋতু । কেমন আছিস ..........
ঋষি---বেঁচে আছি মরিনি এখন ও । তুই কেমন আছিস ??
:::-- অনেক দিন পর দেখা হল স্টেশনে তোর চোখের সামনে চোখ রেখে কিছু বলার মত ভাষা ছিল না রে ।
::;-হা রে -৪বছর ৬মাস পর দেখা হল ।
:::- তুই এত সঠিক ভাবে মনে রেখেছিস কিভাবে
::;;;--চাইলেও ত সব ভোলা যায় না রে ঋতু ।
:::::::--বাদ দে তোর স্ত্রী কেমন আছে দেখতে কিন্তু খুব সুন্দর ।
::::--বিয়ে ই হয় নি আবার স্ত্রী --কি যে বলিস
কেন ????
ঋষি:::::-- কাউকে ভালোবেসে ছিলাম
::::--অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে কি জীবন চলে ।
::::--না চলে না জীবন জীবনের গতিতে যায় আমি আমার গতিতে ।
:::--এখন ও তুই আগের মত ই আছিস ।
:::::---হা রে কারণ বদলাবার মানে খুঁজে পাই নি তাই ।
ঋতু :::--তুই সিগারেট খাস ?
::;;-- ওটাই ত এখন ---------সঙ্গী রে ।
:::::---তোর নাম্বারটা দে পরে কথা বলব ।ভালো থাকিস ।
:ঋষি :::---হা রে তুই ও ভালো থাকিস ।
বাই বলে অফলাইন হয়ে গেল ।
এই ভাবে দুজনের কথা শুরু হল সোশ্যাল মিডিয়ায় । নিজেদের ভালো লাগা খারাপ লাগা সব বিষয় তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করত
ঋষি যেন সেই আগের দিন গুলো ফিরে পাচ্ছে । এক অসম্ভব সুখ যে ন অনুভব করছে ঋষি ।
ফেসবুক থেকে কথাপোকথন শুরু হল whatsapp এ । খুব ভালো ই চলছিল ।
কিছু দিন কথা বলার পর আবার কথা বলা বন্ধ হয়ে গেল হঠাৎ ।
আবার 10দিন হয়ে গেল ঋষি মেসেজ করেই যাচ্ছে কোন উত্তর নেই । ফোন করলেও ফোন ধরে না কেউ ।
। ঋষি আর না থাকতো পেরে এটাই শেষ মেসেজে ভেবে নিজের আবেগের কথা লিখল --
সুখ ছেড়ে দুঃখ খোঁজে ক জন
দুঃখ শুধু আমাদের খোঁজে
এটা ই বা মেনে নিতে পারে কোন সুজন।
"""জানি না কেন তোকে এত মিস করি ।
তুই অফলাইন হলে মনে হয় আমার কি যেন নেই যেটা আমাকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে । যেন আমি আমার মাঝে আমি থাকি না ।
জানি তোকে তোর স্বামী খুব ভালোবাসে । খুব পছন্দ ও করে ।করবেই বা না কেন বল ।
জানি না কি পেয়েছি তোর মাঝে তবে জানিস এই টুকু আমি জানি তুই ছাড়া আমি একা ---বড় বেশি একা ।
তোকে কাছে এসে কথা বলা বা দেখা করার জন্য কোন দিন কোন কিছু বলব না রে ।
তোকে দূর হতেই না হয় সব সুখ আমি পাব তুই শুধু কথা বলা টা বন্ধ করিস না ঋতু ।
তুই কথা না বললে যে কিছুই ভালো লাগে না রে ।
এই মেসেজ করা দুদিন হয়ে গেল কিছুই উত্তর নেই । ঋষি আবার ও ঘন ঘন ফোন খুলে দেখছে whatsapp এ মেসেজ সিন করেছে কি না । ঠিক পরের দিন সকাল এ ফোন খুলে ঋষি দেখে একটা মেসেজ ।
ঋতু করেছে ভোর 4টে 45মিনিট এ ---------
আমি এক ফসলা বৃষ্টি চাই তোকে নিয়ে ভিজব বলে ।
তোর সাথে দেখা করতে চাই চোখের জলের সেই বালিশ টা তোকে দেব বলে ।
নিচে একটা ছবি ও পাঠিয়েছে ঋতু ।
যেখানে পোষ্ট দেখা যাচ্ছে - আগুনে পুড়ে গেছে এমন একটা কাপড় । ঋষির বুঝতে অসুবিধা হল না কেন তার কল /মেসেজের উত্তর এত দিন দেয় নি ঋতু ।
ঋষি ও লিখল whatsapp এ ---
আমি তোর সাথে দেখা করতে চাই তোর চোখের জলের ওই বালিশ টা নেব বলে ।
সকাল 11টা প্রায় এমন সময় উত্তর এল --
সেই ছাতিন গাছে র নীচে দেখা করব কালকে আমি বাড়ি গিয়ে । তোর ত অফিস আছে পারবি ছুটি নিতে । যদি পারিস দেখিস ।
কোন কিছু না ভেবেই ঋষি বলে দিল হা নিশ্চয় পারব ।
বিনীতা কে ফোন করে বলে দিল ঋষি যে কালকে শরীর টা খারাপ সেই জন্য সে অফিস যেতে পারবে না ।
কত দিন পর কালকে দেখা হবে ঋতুর সাথে । সেই রাত্রে ঋষি যেন এক অলীক ভাবনায় ডুবে যাচ্ছে । চোখে তার ঘুম নেই ।
সঙ্গে সঙ্গে এটাও মনে হচ্ছে ঋষির যে -ঋতুর সাথে এমন কিছু একটা হয়েছে না হলে আগুনে পোড়া কাপড় ছবি কেন পাঠাল ।
শুধু এই চিন্তা টাই তাকে যেন ঘুমোতে দিচ্ছে না ।
বহুবিধ প্রশ্ন যেন তার মনে বাসা বাঁধতে শুরু করেছে ।
পরের দিন সকালে উঠে ঋষি বাড়ির যাবতীয় কাজ করে ঠিক 11 টা হবে এমন সময় গিয়ে পৌঁছালো সেই ছাতিন গাছে নীচে ।
দেখে ছাতিন গাছ টা কত বড় হয়ে গেছে ।
সেখানে গিয়ে তার সব পুরোনো স্মৃতি গুলো যেন চোখের সামনে ভেসে উঠছে ।
গাছে র নিচের দিকে যেখানে তাদের দুজনের নাম লেখা ছিল খোদাই করে ।
সেই জায়গা টা যেন মিলিয়ে গেছে শুধু রয়েছে ঋষি র - ঋ আর ঋতিকা র - ঋতি আর যে +চিন্হ টা ছিল সেটা যে -- বিয়োগ চিন্হ হয়ে গেছে ।
এটা দেখে ঋষি মনে মনে ভাবতে লাগল যে -গাছ টা ও বুঝি জেনে গেছে তাদের সম্পর্কে র পরিণতি টা আজ কোন জায়গায় ।
এটা ভাবছে ঠিক এমন সময় আগমন হল -ঋতিকা র ।
পরনে ছিল সেই চুড়িদার । যে চুরিদারের কালার টা ঋষি খুব পছন্দ করত ।
চুল গুলো ছিল যেন এলোমেলো ।বাম হাতে একটা ছোট ব্যাগ । ডানহাতে স্মার্টফোন ।
ঋতিকা এসে মৃদু স্বরে বলল - ------
:::-ভালো আছিস .মা বাবা কেমন আছে ?
:::--ভালো আছে মা বাবা ।তোর মা কেমন আছে ।
:::--ভালো রে । বলে ঋষির চোখের দিকে তাকিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল ঋতিকা ।
::: --কাঁদিস না কি হয়েছে সেটা বল ..........
এই কথা টা বলতেই ঋষির ডান হাত টা ধরে চুরিদারের পিঠের চেন টা খুলতে বলে ঋতিকা ।
চেনটা খুলে ই ঋষির চোখের জল আর আবেগ মিলেমিশে একা কার হয়ে গেল যার প্রতিটি ফোটা গিয়ে পড়ল পিঠে লাল কালসিটে দাগের উপর ।
ঋতিকা::--তুই বলছিলিস না আমি ভালো আছি স্বামী কে নিয়ে খুব আনন্দে সংসার করছি দেখ ভালো করে দেখ এটা আমার স্বামী আমাকে উপহার দিয়েছে । দোষ টা কি জানিস ঋষি-
বহুবিধ প্রশ্ন যেন তার মনে বাসা বাঁধতে শুরু করেছে ।
পরের দিন সকালে উঠে ঋষি বাড়ির যাবতীয় কাজ করে ঠিক 11 টা হবে এমন সময় গিয়ে পৌঁছালো সেই ছাতিন গাছে নীচে ।
দেখে ছাতিন গাছ টা কত বড় হয়ে গেছে ।
সেখানে গিয়ে তার সব পুরোনো স্মৃতি গুলো যেন চোখের সামনে ভেসে উঠছে ।
গাছে র নিচের দিকে যেখানে তাদের দুজনের নাম লেখা ছিল খোদাই করে ।
সেই জায়গা টা যেন মিলিয়ে গেছে শুধু রয়েছে ঋষি র - ঋ আর ঋতিকা র - ঋতি আর যে +চিন্হ টা ছিল সেটা যে -- বিয়োগ চিন্হ হয়ে গেছে ।
এটা দেখে ঋষি মনে মনে ভাবতে লাগল যে -গাছ টা ও বুঝি জেনে গেছে তাদের সম্পর্কে র পরিণতি টা আজ কোন জায়গায় ।
এটা ভাবছে ঠিক এমন সময় আগমন হল -ঋতিকা র ।
পরনে ছিল সেই চুড়িদার । যে চুরিদারের কালার টা ঋষি খুব পছন্দ করত ।
চুল গুলো ছিল যেন এলোমেলো ।বাম হাতে একটা ছোট ব্যাগ । ডানহাতে স্মার্টফোন ।
ঋতিকা এসে মৃদু স্বরে বলল - ------
:::-ভালো আছিস .মা বাবা কেমন আছে ?
:::--ভালো আছে মা বাবা ।তোর মা কেমন আছে ।
:::--ভালো রে । বলে ঋষির চোখের দিকে তাকিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল ঋতিকা ।
::: --কাঁদিস না কি হয়েছে সেটা বল ..........
এই কথা টা বলতেই ঋষির ডান হাত টা ধরে চুরিদারের পিঠের চেন টা খুলতে বলে ঋতিকা ।
চেনটা খুলে ই ঋষির চোখের জল আর আবেগ মিলেমিশে একা কার হয়ে গেল যার প্রতিটি ফোটা গিয়ে পড়ল পিঠে লাল কালসিটে দাগের উপর ।
ঋতিকা::--তুই বলছিলিস না আমি ভালো আছি স্বামী কে নিয়ে খুব আনন্দে সংসার করছি দেখ ভালো করে দেখ এটা আমার স্বামী আমাকে উপহার দিয়েছে । দোষ টা কি জানিস ঋষি-
ও যে লোভে আমাকে বিয়ে করেছিল সেটা পাই নি বলে ।
মা মামা এক সাথে যুক্তি করে আমার বিয়ে দিয়েছিল যাতে আমাদের সম্পত্তি পুরো টা গ্রাস করতে পারে মামা । আর কিছু আমায় জিগেস করিস না । ঋষির দুটো হাত ধরে -আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে আমি আর পারছি না ওখানে থাকতে । কালকে ভেবে ছিলাম নিজেকে শেষ করে দেব কিন্তু এত সহজে আমাকে মরতে দেবে না বিধাতা । এই জন্য ত আর মরা হল না রে ।
এই সমস্ত কথা গুলো শুনে ঋষি নিজেকে আর ঠিক রাখতে পারছে না ।
ঋষি নিজের মনে র আবেগের কথা বলতে যাবে ঠিক এমন সময় বাড়ি থেকে ফোন ।
ঋষির মা --কোথায় আছিস তোর বাবার পায়ের ব্যথা টা খুব বেড়েছে তাড়াতাড়ি আই ।
মা মামা এক সাথে যুক্তি করে আমার বিয়ে দিয়েছিল যাতে আমাদের সম্পত্তি পুরো টা গ্রাস করতে পারে মামা । আর কিছু আমায় জিগেস করিস না । ঋষির দুটো হাত ধরে -আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে আমি আর পারছি না ওখানে থাকতে । কালকে ভেবে ছিলাম নিজেকে শেষ করে দেব কিন্তু এত সহজে আমাকে মরতে দেবে না বিধাতা । এই জন্য ত আর মরা হল না রে ।
এই সমস্ত কথা গুলো শুনে ঋষি নিজেকে আর ঠিক রাখতে পারছে না ।
ঋষি নিজের মনে র আবেগের কথা বলতে যাবে ঠিক এমন সময় বাড়ি থেকে ফোন ।
ঋষির মা --কোথায় আছিস তোর বাবার পায়ের ব্যথা টা খুব বেড়েছে তাড়াতাড়ি আই ।
এই কথা গুলো শুনে ঋতিকা ও তার বাড়ি আসতে চাইল ।
ঋষি ও ঋতিকা দুজনে ই ঋষির বাড়ি এল ।
বাড়ি ঢুকবে এমন সময় দেখে ঋষি -একটা গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে যে গাড়িটা ঋষির বাবা কে নিয়ে যাবে বলে ।
এই গাড়িটা কে এনেছে আমি ত গাড়ি বলি নি এটা ভাবতে ভাবতে ঋষি ঘরে ঢুকল ।
ঘরে ঢুকেই দেখল --বিনীতা ............
(যাকে মিথ্যা বলেছিল )আপনাদের সাথে পরের পর্বে আবার দেখা হবে খুব শীঘ্রই।


1 comment:
Apnar ei story ta Valo laglo tobe akta Kotha jante chai ei story ta te ki nayok ta ki APNI nije. Bolben plz .
Post a Comment