Sristi proyas

Sristi Proyas is bigest platfrom in west bengal. Connect with Apply to millions of job opportunities across top companies, Ngo, private company ,Goverment ,industries and locations on west bengal, India's No.1 job site.

advertisement

Sristi's world

Advertisement

আজ তুমি নেই (পার্ট-১)

---------------------------------

----------------------------------


ঋষির মনে প্রচুর প্রশ্ন সবে Hs পাস করেছে । কলেজে ভর্তি হবে -বাবা র পায়ের ব্যথা -সব দিক দিয়ে ভর্তি হবো কি হবো না।

 এই রকম দু টানাই মন চলেছে । ঠিক এমন সময় পিওন কাকু ডাক দিল ঋষি কে ।এসে দেখ ল ঋষি র একটা চিঠি তাতে বলা হয়েছে আপনার পড়াশুনার টাকাটা রাইটাস এ গিয়ে নিয়ে আসতে হবে । 


ঋষির মনে আবার আশার সঞ্চার ঘটল । ঋষির প্রথম ট্রেন এ যাবে আবার অচেনা জায়গা । 

ঋষি  দেখল বাবার মনে যেন একটি খুশি দেখা দিয়েছে । ছেলে আবার পড়াশুনা শুরু করতে পারবে । 

যাক ঠিক সময় ঠিক তারিখে ঋষি পোঁছে গেল রাইটাস এ ওখানে ঋষির সাথে পরিচয় হয় ঋতিকা বলে একটা মেয়ের সাথে।

 তার বাড়ি ঋষির বাড়ির পাশের গ্রামে । পরিচয় হল ঋতিকা র সাথে ঋষির । কথা চলছে ঠিক এমন সময় একজন এসে বলল যাও তোমাদের ডাকছে ।দুজনে গিয়ে টাকার চেক টা একজন সনামধন্য ব্যক্তির কাছ থেকে নিয়ে এলো ।

 তারপর বাড়ি আসতে হবে এই চিন্তা টা ঋষি কে গ্রাস করছিল ।


ঋতিকা র সাথে ত ও র বাবা আছে আমার সাথে ত কেউ নেই ।তখন ই ঋতিকা র বাবা বলল তোমার সাথে কেউ যখন আসে নি চিন্তা করো না আমি আছি বলে আস্বস্ত করল । কোন ক্রমে বাড়ি ফিরল ঋষি ।


এই ঘটনার ঠিক এক সপ্তাহ পর আবার দেখা হল ঋষির সাথে ঋতিকা র কলেজে ।সেখানে দুজনে কথা ও হল -বাড়িতে কে কে আছে এসব । 


যত দিন যায় ঋতিকা র সাথে মেলা মেশা বাড়তে থাকে । ঋষি র টিউশন ছিল না সে পড়ত কলেজের এক মাস্টার মশাই র কাছে যে মাস্টার মশাই টাকা নিত না ।

একদিন ঋতিকা ও এসে বলল যে আমি ও পড়বো কিন্তু মাস্টার পড়তে নিল না খুব কষ্ট পেলে মনে মনে সেটা উপলব্ধি করেছিলে  ঋষি । সেদিন পড়া শেষে ঋষি দেখছে ঋতিকা তার জন্য অপেক্ষা করছে । 

ঋতিকা বলল ঋষি কে যে আমাকে ত পড়তে নিল না তাই তোর নোট স গুলো আমাকে দিবি আর আমার গুলো তোকে -তোকে চিন্তা করতে হবে আমি জেরক্স করে তোকে দেব । ঋষি ও সহমত পোষণ করল । যতদিন যায় আসতে আসতে খুব ভালো বন্ধু হয়ে গেল ঋষি ও ঋতিকা ।


এবার পরীক্ষা চলে আসছে আর বাকি ছিল ২৬ দিন এমন সময় ঋষির বাবার পা র ব্যথা বেড়ে যায় । অপারেশন করতে হবে এই চিন্তা টা খুব হচ্ছিল । কিন্তু বাবার কাছে যদি থাকতে হয় তাহলে সারা বছর যেটা পড়লাম সেটা কি হবে।

 খুব চিন্তিত হয়ে পড়েছিল ঋষি । এই কথা গুলো যখন ঋতিকা জানতে পারে ---


তখন ঋষি কে ডেকে বলে তুই চিন্তা করি স তুই কেবল অনার্স টা কে ভালো করে পড় আমি পাশের বিষয় গুলো ভালো করে পড়ছি তোকে বুঝিয়ে দেব । যখন বাড়ি আসবি একটা খবর দিস কেবল ।

প্রত্যেক সপ্তাহে যখন হাসপাতাল থেকে ঋষি বাড়ি আসত তখন ই ঋতিকা পড়া বোঝাত ।এই ভাবেই চলল ।বাবার অপারেশন দিন ঠিক হল সাথে পরীক্ষা চলে এল । ভালো ভাবে অপেরাসন করে বাড়ি ফিরল আর তার পর র দিন পরীক্ষা পড়ল ।অনার্স টা খুব ভালো ভাবেই হল ।


রেজাল্ট বেরোল ঋতিকা অনার্স এ পেল 45%আর পাশে পেল 65% সেখানে ঋষির ছিল দুটো তেই 62%মত । সেদিন খুব কষ্ট হয়েছিল ঋষির কারণ সে জানে ঋতিকা রেজাল্ট  কেন খারাপ হয়েছে । ঋষির বাবা অনেক টা সুস্থ হয়ে উঠল ।

ঋতিকা কয়েকবার এল ঋষির বাবা কে দেখতে ।

বাবা মা ও খুব ভালোবাসতে শুরু করল ঋতিকা কে ।

যত দিন যায় বন্ধুর সম্পর্ক টা তত বেশি একে অপরের প্রতি নিভর হয়ে পড়ে ।

 টাকা যখন দরকার হবে তুই আমার কাছে নিবি পরে আমাকে দিয়ে দিবি এটাই ছিল ঋতিকা র কথা আর বাবার অপেরাসন সময় এটা ই করেছিল ঋতিকা ।


খুব ভালো ই কাটছিল ঋষির । একদিন হঠাৎ শুনতে পেল ঋষি - ঋতিকা র বাবা মারা গেছে ।


সেদিন সারাটা দিন ই ঋতিকা র পাশে ছিল ঋষি । এই ঘটনার কিছু দিন পর যখন পুরো বিষয় টা অনেকটা স্বাভাবিক ঠিক তখন ই কলেজে বলল ঋতিকা যে -তোকে কালকে একটা কথা বলবো সাথে সাথে ----------------------------------------------


ঋষির মনে যেন এক অদ্ভুত খুশি দেখা দিল । ঋষির ধারণা ছিল এবার নিশ্চয় বলবে যে ও আমাকে কত টা ভালোবাসে ।


 সেদিনের রাত টা যেন কাটতেই চাই না ক খন সকাল হবে আর ঋতিকা বলবে তাকে ভালোবাসার কথা ।


 ঋষির মনে যেন এক অদ্ভুত আনন্দ ।কিন্তু এই আনন্দ যে কাউকে বলার নয় । 


যাক কলেজ এ গিয়ে যেখানে প্রতিদিন বসত সেই ছাতিন গাছে র তলায় অপেক্ষা করছে ঋষি । 


সময় যাচ্ছে কিন্তু ঋতিকা আসছে না ।


অপেক্ষা করতে করতে এক সময় এল ।


আসার সাথে সাথে ই প্রচুর কথা শোনাতে লাগল ঋষি । 


এর পর প্রচন্ড কাঁদতে শুরু করল ঋতিকা ।


 ঋষি বলল কি রে এর আগে ত তোকে অনেক এই রকম কথা বলেছি কই কাঁদিস নি আজ কেন কাঁদছিস ।


কিছু না বলেই 

ঋতিকা -------


একটা কার্ড দেয় ঋষি কে ।


তারপর ওখান থেকে ঋতিকা ও চলে যায় । 


ছাতিন গাছ তলায় বসে বুক ডুকরে ডুকরে কাঁদতে শুরু করল ঋষি


কারণ ওই কার্ড টা ছিল ::::::::::::::::: 


                                                                সৃষ্টি


সকলের কাছে অনুরোধ বাড়িতে থাকুন 

সুস্থ থাকুন ।


                     


1 comment:

Sristi Proyas said...

পরের পার্ট টা জন্য অপেক্ষা করেন ।

Bottom Ad [Post Page]

| Designed by ARPAN MANDAL